বর্হিজগতবাসীরা
বিনামূল্যে বই

মানবতার জন্য এই সার্বজনীন বার্তার অপরিসীম গুরুত্বের কারণে, অ্যালসিয়ন অ্যাসোসিয়েশন বিশ্বব্যাপী যে কোনও জায়গায় "হারকোলুবাস বা লাল গ্রহ" বইয়ের বিনামূল্যে প্রিন্টেড কপিগুলি মেইলের মাধ্যমে প্রেরণ করছে।

বর্হিজগতবাসীরা আমাদেরকে হাজার বছর ধরে পরিদর্শন করে আসছে, বিভিন্ন সংস্কৃতির সাথে যোগাযোগ করার ঘটনা ইতিহাসে অসংখ্য বার প্রমাণিত হয়েছে ।

যারা তাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন তারা জ্ঞানবান ও সচেতন মানুষ হিসেবে তাদের বজায় রেখেছেন, যাদের সভ্যতা পুরোপুরি বিকাশ লাভ করেছে: তারা একে অপরের সাথে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে, তারা স্বেচ্ছায় জন্মগ্রহণ করে এবং স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করতে পারে এবং তাদের একমাত্র ধর্মই জীবন এবং অন্যদের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ।

বর্হিজগতবাসীরা দক্ষতার সাথে পদার্থের বিজ্ঞান এবং আত্মার বিজ্ঞানের সমন্বয় সাধন করেছে। তাদের আন্তঃনাক্ষত্রিক ভ্রমন গুলি একটি অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির ফলাফল, যা একটি উচ্চ আধ্যাত্মিক বিকাশ দ্বারা সমর্থিত।

আমাদের গ্রহটিতে যা আছে, তার তুলনায় তাদের জ্ঞান অনেক বড়, আমাদের মানব সভ্যতায় যে পরিমান সমস্যা আছে তার তুলনায় অনেক বেশী সমাধান আছে: শক্তির ব্যবহার, স্বাস্থ্য, পরিবহন, কৃষি, জলবায়ু সংক্রান্ত সমস্যা ইত্যাদি, আমাদের মধ্যে বস্তুবাদ ও মানসিক ত্রুটিগুলির যে অত্যধিক পরিমানে বৃদ্ধি ঘটেছে, যেমন:অহংকার, লোভ, ক্ষমতার তৃষ্ণা, ভালবাসার অভাব ইত্যাদি যা আমরা বহন করে চলি, এগুলির কারনে আমরা জ্ঞানের অপব্যবহার করতে পারি বিধায় বৃহত্তর পর্যায়ে সেই জ্ঞান প্রেরণের জন্য তাদের সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে না।

যদিও এলিয়েনরা ব্যাপক ভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে না, তারা আধ্যাত্মিক বিকাশে গুরুত্ব সহকারে কাজ শুরু করা ব্যক্তিদের স্বতন্ত্রভাবে সহায়তা করতে পারে।

বর্হিজগতবাসীদের সভ্যতাগুলি পৃথিবীতে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ব্যবহার এবং মহাকাশে তাদের স্থাপন সম্পর্কে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

অন্যদিকে, মানবতা শীঘ্রই একটি পরমাণবিক ব্যাপক হত্যাকান্ডের সম্মুখীন হবে এবং ফলস্বরূপ, আমাদের গ্রহে চরম পর্যায়ের মারাত্মক পরিণতির পরিবর্তন ঘটবে। বর্হিজগতবাসীরা এটি জানেন এবং যারা ভি.এম রাবোলু এর আধ্যাত্মিক গ্রন্থ ‘হারকোলুবাস বা রেড প্ল্যানেট’ এ পরিষ্কার ও সরল উপায়ে শিখানো আধ্যাত্মিক উন্নতির উপায় নিয়ে আন্তরিক ভাবে কাজ শুরু করেছেন, তাদের উদ্ধার করতে প্রস্তুত রয়েছেন।

এই মুহুর্তে পৃথিবীর বাসিন্দারা গর্ব এবং অহঙ্কারে পূর্ণ। বাবেলের টাওয়ার, যার সাহায্যে বিজ্ঞানীরা বর্হিবিশ্ব জয় করতে চেয়েছিলেন, তা ইতিমধ্যে উত্থাপিত হয়েছে। মহাকাশযান চাঁদে পৌঁছেছিল, এবং এখন বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহে সহসা বেগে পৌছে যেতে চান। অন্যান্য গ্রহগুলির মানবতার সাথে লড়া্ই হবে যৌক্তিক অনুমান এর মাধ্যমে, যা সম্পূর্ণ রুপে অবশ্যম্ভাবী এবং আমাদের মানবতার রূপান্তর বা ধ্বংস হওয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।

অন্যান্য গ্রহে জীবন

আমাদের বিজ্ঞানীরা যখন বর্হিজগতবাসীদের জীবনের যে কোনও চিহ্ন খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন, এমন কিছু লোক আছেন যারা অন্যান্য গ্রহে জীবনের অস্তিত্ব সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন এবং যারা কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন। সেই লোকদের মধ্যে একজন ভি.এম. রাবোলু, যিনি তাঁর বই ‘হারকোলুবাস বা লাল গ্রহ’ গ্রন্থে, অন্যান্য জগতের প্রাণীদের সাথে তাঁর নিজের প্রত্যক্ষ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।

ভি.এম. রাবোলু এই কাজের ব্যাপারে বলেছেন:

”আমি বর্হিজগতবাসীদের সাথে বহুবার যোগাযোগ করেছি এবং আমি এই দুর্দান্ত বাসিন্দাদের সর্ম্পকে সাক্ষ্য দিতে পারি। আমি তাদের জ্ঞান, তাদের সংস্কৃতি এবং তারা যে দেবতাসুলভ জীবন ধারন করছেন, সে সর্ম্পকে বর্ণনা করার জন্য শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না। “

মানুষের সাখে সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন:

‘তারা প্রতিটি ব্যক্তির স্বাধীন ইচ্ছাকে সম্মান করে। এটি পৃথিবীর বাসিন্দাদের মতো নয়, যারা বুলেট এবং হুমকির মাধ্যমে পুরোপুরিভাবে বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ করতে চান। উত্তর আমেরিকানরা যে চলচ্চিত্র গুলি তৈরী করেছেন এবং যে ম্যাগাজিন গুলো প্রকাশ করেছেন, তাতে খুব বেশী ভূল করেছেন ।’

মূল ব্যাপার হলো যে ভি.এম. রাবোলু সেই উচ্চতর সভ্যতার বিস্ময়কর দিক প্রদর্শন করেছেন যা আমন্ত্রনের প্রতিবিম্বস্বরুপ: আমরা কী হতে পারতাম কিন্তু কখনই হয়ে উঠতে পারিনি তার প্রতিচ্ছবি; আমাদের যান্ত্রিক জীবন ত্যাগ করার এবং মানুষ এবং সভ্যতা হিসাবে আমাদের আধ্যাত্মিকভাবে রূপান্তর করার আমন্ত্রণ।

এই যুগের মানুষদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে অন্যান্য বিশ্বের মানুষ আমাদের দেখছে এবং আসন্ন বিপর্যয় সম্পর্কে তারা সচেতন। তারা আমাদের ভিতরে বাইরের সব জেনেছেন এবং যারা তাদের মানবতার প্রতি সত্য ভালবাসা দেখিয়েছে এবং যারা তাদের আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরনের জন্য একটি গুরুত্ব সহকারে কাজ শুরু করেছে তাদের সবাইকে উদ্ধার করতে তারা তাদের যান গুলি নিয়ে এসে হস্তক্ষেপ করবেন।

অ্যালসিওন অ্যাসোসিয়েশন

‘হারকোলুবাস বা রেড প্ল্যানেট’ কাজের প্রচার ও বিতরণে অলাভজনক সংস্থা এজেন্ট-সহযোগী হিসাবে নিযুক্ত হয়।

লেখক: জোয়াকু্ইন আমের্তেগুই ভালবুয়েনা (ভি.এম. রাবোলু)
সম্পাদক: আঞ্জেল প্রটস

অ্যালসিওন অ্যাসোসিয়েশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মধ্যে অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় রেজিস্ট্রি, গ্রুপ ১, বিভাগ ১ এর জাতীয় নম্বর ৫৮৮৬৯৮ এর সাথে নিবন্ধিত এবং এর সদর দফতর বার্গোস, পিও বক্স ৪, ০৯০৮০ বার্গোস (স্পেন) এ রয়েছে।

লেখক সম্পর্কে

V.M. Rabolu (1926 – 2000)
ভি.এম. রাবোলু (১৯২৬- ২০০০)

ভি.এম. রাবোলু (১৯২৬- ২০০০) টোলিমা (কলম্বিয়া) শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৫২ সালে তিনি সত্যিকারের জ্ঞান পেলেন এবং অনেক বছর ধরে গুপ্ত অনুশীলনের মধ্য দিয়ে তিনি অসাধারণ জাগ্রত চেতনার শক্তি গড়ে তোলেন যা শেষ পর্যন্ত তাকে আধ্যাত্মিক গাইডে রূপান্তরিত করে যার মাধ্যমে তিনি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন।

অদূর ভবিষ্যত যা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে এই বিষয়ে সচেতন হয়ে, তিনি মানবতাকে আধ্যাত্মিক পুনঃ জাগরণ অর্জনের সূত্র শিক্ষা দেওয়ার জন্য নিজেকে নিবেদিত করেছিলেন। সুতরাং, ৭০ এর দশক থেকে এবং সর্বদা নিরপেক্ষ ও উদারভাবে তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে বক্তব্য, কোর্স এবং কংগ্রেসের মাধ্যমে প্রকাশ্যে সত্য জ্ঞান শেখানোর এক অক্লান্ত কাজ শুরু করেছিলেন।

১৯৯৮ সালে তিনি লিখেছিলেন “হারকোলুবাস বা লাল গ্রহ”। তাঁর প্রত্যক্ষ ও সচেতন অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভি.এম. রাবোলু অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের গ্রহে সংঘটিত হবে এমন ভয়াবহ ঘটনা বর্ণনা করেন এবং একটি গভীর রূপান্তর অর্জনের জন্য মানুষ যে পথটি অনুসরণ করতে পারে তা ব্যাখ্যা করেন। আজকাল, তাঁর রচনায় থাকা বিবৃতিগুলি এমন এক বিশাল সংখ্যক পাঠক দ্বারা স্বীকৃত যারা ৮০ টিরও বেশি দেশ তাঁর শিক্ষা থেকে উপকৃত হয়েছে।

ভি.এম. রাবোলু জাগ্রত সচেতনতার দুর্লভ লোকদের মধ্যে রাবোলু অন্যতম ছিলেন। তাঁর শিক্ষাগুলি এই সময়ে অপরিহার্য, যখন বস্তুবাদ এবং মূল্যবোধের অভাব এমন একটি সমাজের স্বতন্ত্র লক্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে যা আরও বেশি হারিয়ে যাচ্ছে।

‘আমি মানুষকে ভয় দেখাতে চাই না; আমি একজন মানুষ এবং কী আসবে এবং কী ঘটবে সেই সম্পর্কে আমি সতর্ক করছি’।’

ভি.এম. রাবোলু

মন্ত্র সমূহ

এই বিভাগে আপনি ভি.এম. রাবোলুকে এস্ট্রাল প্রোজেকশন এর জন্য মন্ত্র উচ্চারণ করতে শুনবেন, যার মাধ্যমে আপনি সঠিক উচ্চারণটি কি তা জানতে পারবেন।

ফা রা অন

লা রা এস

অ্যালসিওন অ্যাসোসিয়েশনকে সহযোগিতা প্রদান

অ্যালসিওন অ্যাসোসিয়েশন একটি আইনত ভাবে গঠন করা একটি সংস্থা। একটি অলাভজনক সংস্থা হিসাবে, এর সমস্ত ক্রিয়াকলাপ কোনও ধরণের আর্থিক লাভ ছাড়াই পরোপকারীভাবে সম্পাদিত হয়।

অ্যালসিওন অ্যাসোসিয়েশন ‘হারকোলুবাস বা লাল গ্রহ’ বইয়ের প্রকাশক মিঃ অ্যাঞ্জেল প্রটসের এজেন্ট-সহযোগী হিসাবে কাজ করে; সুতরাং এর একমাত্র লক্ষ্য সেই বইটির আন্তর্জাতিক প্রচার এবং বিতরণ। এই কারণেই, অ্যালসিওন অ্যাসোসিয়েশনের মূল ক্রিয়াকলাপ হলো এই কাজটি বিতরণের উদ্দেশ্যে বইটির ফ্রি কপি পৃথিবীর যে কোনো জায়গায় পাঠানো এবং কোনো প্রভেদ না রেখে এই বিশ্বব্যাপী বার্তা যে কোনো আগ্রহী ব্যক্তিকে পৌঁছানো।

এখনও অবধি, এই বিতরণ অভিযান হাজার হাজার পাঠককে মেইলে ‘ হারকোলুবাস বা লাল গ্রহ’ বইয়ের একটি বিনামূল্যে অনুলিপি গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। বর্তমানে এবং দিনের পর দিন অনুরোধের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এই দুর্দান্ত সাফল্যের কারণে আমরা এই বিতরণ অভিযান চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি।

নীচের ভিডিওটি ডাউনলোড করে এবং বন্ধুদের এবং পরিচিতদের ইমেলের মাধ্যমে প্রেরণ করে এই কাজের বিস্তারে আমাদের সহায়তা করুন।

আপনি যদি আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের সাথে যোগাযোগ করতে চান বা আপনি ভি.এম. রাবোলুর বই এবং বার্তা প্রচারের বিষয়ে বইয়ের প্রকাশকের সাথে সহযোগিতা করতে আগ্রহী হন বা আপনি যদি আমাদের সাথে আরও দৃঢ় যোগাযোগ এবং সহযোগিতা বজায় রাখতে চান তবে নীচের যে কোনও ঠিকানায় লিখতে পারেন:

ইমেইল: [email protected]

সাধারণ মেল দ্বারা:
Asociación Alcione
P.O. Box 4
09080 Burgos (স্পেন)

আপনার বিনামূল্যের বইয়ের অনুরোধ করুন

বেশ কয়েকটি ভাষায় অনুবাদিত।
আপনি লিখিত ভাবে এ ব্যাপারে জানতে চাইতে পারেনঃ [email protected]
বা নীচের ফর্মটি ব্যবহার করুন:

অর্ডার ফর্ম

আপনার অনুরোধটি পরিচালনা করতে একটি নক্ষত্র (*) দিয়ে চিহ্নিত ডাটা প্রয়োজনীয়। এই তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং কেবল এবং একচেটিয়াভাবে বইয়ের অর্ডার মেটাতে ব্যবহৃত হয়।

বইটি পেতে, আপনাকে অবশ্যই একটি সঠিক ইমেল ঠিকানা প্রবেশ করাতে হবে।

আপনার অর্ডারটি পরিচালিত করতে, এই বক্সটি পড়ুন এবং চেক করুন।

সাবমিট বাটনে ক্লিক করে, আপনি ডাটা প্রক্রিয়াকরণের শর্তাদি এবং নির্ধারিত উদ্দেশ্যে গোপনীয়তা নীতিমালার সাথে সম্মতি প্রকাশ করছেন।